গোবিপ্রবির সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুন চাকরিচ্যুত।

লেখক: বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

গোবিপ্রবির সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুন চাকরিচ্যুত

বিশেষ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলন-সংক্রান্ত অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ড এ সিদ্ধান্ত নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিলে তার পিএইচডি স্কলারশিপ-সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর পাঁচ সদস্যের একটি সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফেলোশিপ ট্রাস্ট তার পিএইচডি স্কলারশিপ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন তোলে। শিক্ষা ছুটি শেষে দেশে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করলেও তিনি পিএইচডি সনদপ্রাপ্তির তারিখ, ডিফেন্স-সংক্রান্ত সুপারভাইজারের প্রত্যয়নপত্র এবং ফেলোশিপ ট্রাস্টের ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেননি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাধিক লিখিত চিঠিরও কোনো জবাব দেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরে তদন্তের জন্য গঠিত পাঁচ সদস্যের সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন এবং শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে মত দেন যে, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগে তিনি সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়, রিজেন্ট বোর্ডের ৪৩/৬ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ জুন থেকে ফাতেমা খাতুনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদ থেকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রহণ করা অর্থ বিধি অনুযায়ী ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ফাতেমা খাতুনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।