শ্যামনগরে,র‍্যাব-৬ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক জব্দ,আটক ১

লেখক: ফয়েজ আহমেদ সাতক্ষীরা,শ্যামনগর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৪ সপ্তাহ আগে

শ্যামনগরে,র‍্যাব-৬ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক জব্দ,আটক ১

ফয়েজ আহমেদ,সাতক্ষীরা, শ্যামনগর প্রতিনিধি

সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য, দুটি কাভার্ড ভ্যান এবং একজনকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৬।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৬, সাতক্ষীরা কোম্পানির কোম্পানি কমান্ডারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে উল্লেখযোগ্য এ সাফল্য আসে।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় মাদকদ্রব্য দেশের অভ্যন্তরে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্র সক্রিয় রয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে র‍্যাব সদস্যদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় ঘটনাস্থল থেকে মজিদ শেখ (পিতা: আমজাদ আলী), গ্রাম- মথুরাপুর, উপজেলা- শ্যামনগর, জেলা- সাতক্ষীরাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য, দুটি কাভার্ড ভ্যান এবং চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাব আরও জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পলাতক অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল র‍্যাব-৬, সাতক্ষীরা কোম্পানির কোম্পানি কমান্ডারসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সকল সদস্যের সাহসী ও সফল ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে মাদক ও চোরাচালান রোধে এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। একই সঙ্গে প্রকৃত মাদক কারবারি ও চোরাকারবারি চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান আরও জোরদার হলে সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং অপরাধ দমনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।