নড়াইলের লোহাগড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগ।

লেখক: মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান চৌধুরী বিশেষ প্রতিনিধি।
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

নড়াইলের লোহাগড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগ

মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান চৌধুরী,বিশেষ প্রতিনিধি,

নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলটিয়া গ্রামে তুলি বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের টাকার জন্য তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে বেলটিয়া গ্রামের সাকায়েত মোল্যার ছেলে রবিন মোল্যার (২৫) সঙ্গে বিয়ে হয় তুলি বেগমের। স্বজনদের দাবি, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য তুলির ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন স্বামী রবিন। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে তুলির বাবা ইলিয়াস শেখ জামাইকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন। তবে এরপরও অতিরিক্ত টাকার জন্য পুনরায় চাপ দিতে থাকেন রবিন। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে শনিবার ভোরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তুলির মরদেহ উদ্ধার করে।নিহত তুলির বাবা ইলিয়াস শেখ অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়ের গলা, কান, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যৌতুকের দাবি না মেটানোয় রবিন ও তার পরিবারের সদস্যরা আমার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে।” তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী রবিন মোল্যা এবং তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক থাকায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর আসল কারণ (হত্যা নাকি আত্মহত্যা) নি

শ্চিত হওয়া যাবে।