জয়নগরে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রে তরুণ সমাজসেবক বাহারুল চৌধুরী

লেখক: নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশ: ৪ মাস আগে

জয়নগরে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রে তরুণ সমাজসেবক বাহারুল চৌধুরী

নিজস্ব সংবাদদাতা :

জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই নড়াইলের কালিয়া উপজেলার গ্রামগঞ্জে শুরু হয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। বিশেষ করে জয়নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তরুণ সমাজসেবক বাহারুল চৌধুরীর নাম এখন সর্বত্র আলোচনায়। আগাম প্রচার-প্রচারণা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড তাকে ইউনিয়নের সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে।এলাকা ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাহারুল চৌধুরী ইতোমধ্যেই ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বড়দের কাছে তিনি স্নেহভাজন, সমবয়সীদের কাছে বন্ধুসুলভ এবং তরুণদের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সহজ যোগাযোগ এবং বিনয়ী আচরণ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলে মত ভোটারদের।চায়ের দোকান, হাট-বাজার কিংবা পাড়া-মহল্লার আড্ডা— সর্বত্রই এখন আলোচনার বিষয় বাহারুল চৌধুরীর সম্ভাব্য প্রার্থীতা। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।একজন সাধারণ ভোটার বলেন,“আমরা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চাই, যিনি মানুষের কথা শুনবেন এবং নিঃস্বার্থভাবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন। সেই জায়গা থেকে বাহারুল অনেক এগিয়ে।”নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভোটার জানান, বাহারুল চৌধুরী দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে এলাকায় মানুষের পাশে থেকে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। গত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও এলাকার মুরব্বিদের অনুরোধে তিনি সরে দাঁড়ান। তবে এবার তাকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান তারা।স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, চেয়ারম্যান না হয়েও সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাহারুল চৌধুরী। অসহায় মানুষের সহযোগিতা, সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তি এবং তরুণদের বিভিন্ন উদ্যোগে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।নির্বাচনী প্রচারণার ফাঁকে কুশল বিনিময়ের সময় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কারণ সম্পর্কে বাহারুল চৌধুরী বলেন,“মানবসেবা আমার রক্তে মিশে আছে। এই মাটির সন্তান হিসেবে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব। নির্বাচিত হতে পারলে জয়নগর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূল, জরাজীর্ণ রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হবে তার অগ্রাধিকার।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগাম গণসংযোগ, দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা এবং ইতিবাচক ভাবমূর্তি বাহারুল চৌধুরীকে জয়নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাবনাময় অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তবে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ব্যালট বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।