
অতি উৎসাহী হয়ে অনেকে অনেক কথা বলে, চৈতালীর সেই বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। সাক্ষাতে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা করেন নেতারা।
এ সময় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তীর সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তার সেই বক্তব্য ‘স্লিপ অব টাং’ হতে পারে, তাকে যেন সেই বার্তাটি দেওয়া হয়।
সোমবার (২২ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৈঠকে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার লক্ষ্যে একজন ‘ফোকাল পয়েন্ট’ কর্মকর্তা নির্ধারণের দাবি জানান। মন্ত্রী দাবি বিবেচনায় নিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
জা উদযাপন পরিষদ নেতাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ সাক্ষাতের জন্য বেশ কিছুদিন আগেই সময় চেয়েছিল। এতদিন সময় দিতে পারিনি। তাদের অনেক বিষয়ে কথা আছে। আমাদের দেশে যারা হিন্দু ভাই-বোন তাদের অনেক দাবি-দাওয়া আছে সেসব বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। আমরা সহযোগিতা চেয়েছি যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বহাল থাকে, সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকি, সেভাবে যেন সবাই কাজ করি।
তরধ্যে প্রসঙ্গক্রমে একজন ভদ্রমহিলা যিনি আলাদা প্রদেশে চেয়েছে বললেন, সেই প্রসঙ্গটাও এসেছে,’ যোগ করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি, হয়তো এটা তার স্লিপ অব টাং (মুখের ভুল) হতে পারে। তাকে যেন সেই বার্তাটি দেওয়া হয়। অনেকে বক্তৃতা দেওয়ার সময় অতিউৎসাহী হয়ে অনেক কিছু বলে ফেলে।’
উল্লেখ্য, সাক্ষাতে পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে আট সদস্যের এক প্রতিনিধিদল অংশ নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন।
